ঘুরে আসতে পারেন সাগরকন্যা কুয়াকাটায়

সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত—একই সৈকতে দাঁড়িয়ে এই দুই অপরূপ দৃশ্য দেখার জন্য কুয়াকাটার কোনো বিকল্প নেই। ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সৈকত পর্যটকদের কাছে ‘সাগরকন্যা’ হিসেবে পরিচিত। পকেট বাঁচিয়ে কিভাবে কুয়াকাটা ঘুরে আসবেন, চলুন জেনে নিই।ঢাকা থেকে কুয়াকাটার দূরত্ব প্রায় ৩০০ কিলোমিটার।

বাস : সায়েদাবাদ বা গাবতলী থেকে সাকুরা, শ্যামলী বা গ্রিনলাইনের বাসে সরাসরি কুয়াকাটা যাওয়া যায়। সময় লাগে ৬-৭ ঘণ্টা।

লঞ্চ : সদরঘাট থেকে পটুয়াখালীগামী লঞ্চে উঠে পরদিন সকালে পটুয়াখালী নামতে হবে। সেখান থেকে অটোতে বাসস্ট্যান্ড গিয়ে লোকাল বাসে প্রায় ২ ঘণ্টায় কুয়াকাটা পৌঁছানো যায়।

থাকা : জিরো পয়েন্টের আশপাশে অনেক হোটেল আছে। ১,০০০ থেকে ৩,০০০ টাকার মধ্যে মানসম্মত রুম পাওয়া যায়। সি-ভিউ রুম চাইলে খরচ একটু বেশি হতে পারে। ছুটির দিনে যাওয়ার আগে বুকিং দিয়ে নেওয়া ভালো।

খাওয়া : জিরো পয়েন্টের কাছেই অনেক দেশি খাবারের হোটেল আছে। তবে কুয়াকাটার আসল আকর্ষণ হলো ‘ফিশ ফ্রাই’ মার্কেট। পছন্দমতো তাজা মাছ কিনে সেখানেই বারবিকিউ করে খাওয়ার অভিজ্ঞতা দারুণ।

গঙ্গামতির চর ও জঙ্গল : সূর্যোদয় দেখার সেরা জায়গা। এখানে নানা প্রজাতির পাখি ও বন্যপ্রাণী দেখা যায়।

লাল কাঁকড়ার চর : নির্জন সৈকতে হাজার হাজার লাল কাঁকড়ার মেলা।

ফাতরার বন : সুন্দরবনের আমেজ পেতে চাইলে ইঞ্জিন নৌকায় এই বনে ঘুরে আসতে পারেন।

রাখাইন পল্লী ও মন্দির : ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে আছে প্রাচীন কুয়া, সীমা বৌদ্ধ মন্দির ও মিশ্রিপাড়ার বড় বৌদ্ধ মন্দির। রাখাইনদের তৈরি হাতে বোনা কাপড়ও বেশ জনপ্রিয়।

শুঁটকি পল্লী : নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত এখানে মাছ থেকে শুঁটকি তৈরির কর্মযজ্ঞ চলে।

Exit mobile version