বৃষ্টিতে রাজধানীর সড়কে জলজট, ভোগান্তি বাড়ছে

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আজ দুপুরের বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় সড়কগুলো। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন রাজধানীবাসী। সড়কে গাড়ি চলাচলে ধীরগতি হওয়ায় কোথাও কোথাও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতে এমন পরিস্থিতির কারণ হিসেবে সিটি করপোরেশনের অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছেন স্থানীয়রা। সোমবার (১১ মে) সকালে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কালো মেঘে ঢেকে যায়। এরপর দুপুর দেড়টা নাগাদ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয় বজ্রবৃষ্টি।

দুপুরের পর অল্প সময়ের বৃষ্টিতে অনেক জায়গায় সড়কে জলজট তৈরি হয়। একাকার হয়ে যায় বৃষ্টি আর ড্রেনের নোংরা পানি। এর মধ্যে চলতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিমানবন্দর সড়কের নিকুঞ্জ এলাকা, প্রগতি সরণি, মিরপুর এলাকা, মিরপুর ১০ নম্বর মেট্রো স্টেশনসহ বিভিন্ন এলাকার সড়কগুলোতে জলজটের সৃষ্টি হয়। মিরপুর ১০ নম্বর এলাকার সড়কে পানির কারণে বিভিন্ন যান অচল হয়ে আটকে আছে।

বেসরকারি চাকরিজীবী মোজাম্মেল কালের কণ্ঠকে বলেন, হঠাৎ বৃষ্টিতে মিরপুরের সড়কগুলো তলিয়ে যায়। বৃষ্টি একটু বেশি হলেই কোমর পানিও দেখা যায় সড়কে। মূলত পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি যাওয়ার কোনো পথ নেই।
এদিকে দীর্ঘ সময়ে নামছে না সড়কে জমে থাকা পানি। সড়কের নোংরা পানি থেকে ছড়াচ্ছে রোগ। সিটি করপোরেশনের উদসীনতায় রাজধানীতে এই জলাবদ্ধতা বলে আভিযোগ পথচারীদের।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, উত্তর শ্রীলঙ্কা উপকূলের অদূরে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

Exit mobile version