বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে সরকারি ফ্যান ব্যবহার করে ধান শুকানোর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি উপজেলার সুখানপুকুর ইউনিয়নের চামুরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানীয়রা প্রভাব খাটিয়ে নিয়মিত ভাবে শ্রেণিকক্ষের ভেতরে ধান ছড়িয়ে ফ্যান চালিয়ে শুকাচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে,বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে চললেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়,সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার কারণেই বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক এ বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছেন। ফলে সরকারি সম্পদের এমন অপব্যবহার চলতেই আছে।স্থানীয়দের অভিযোগ,শুধু ধান শুকানোই নয়,বিদ্যালয়ের মাঠে শিশুদের খেলাধুলার জায়গায় ছাগল বেঁধে রাখা হয়। এছাড়া স্কুলের টিউবওয়েল ও বাথরুমও ব্যবহার করছেন বহিরাগতরা।
এতে বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মরিয়ম সুলতানা বলেন,স্কুলের ফ্যান দিয়ে বাইরের লোকজন ধান শুকায়। কিন্তু বিদ্যুতের বিল সরকারি তহবিল থেকেই পরিশোধ করতে হয় আমাদের।
ঘটনাটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কামরুল হাসানকে অবগত করলে তিনি জানান আজ আমি ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখে এসেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।গাবতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন,বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
