বগুড়া সোনাতলা উপজেলায় সহকারী কমিশনার(ভূমি)হিসেবে ২০২৫ সালের ৬ই নভেম্বর যোগদানের পর থেকেই প্রশাসনিক দক্ষতা ও কঠোর তদারকির মাধ্যমে ভূমি সেবায় ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) শাহানাজ পারভীন। তিনার উদ্যোগে নামজারি কার্যক্রমে গতি বেড়েছে,কমেছে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি।জানা যায়,বর্তমানে সরকারি নির্ধারিত খরচেই নামজারি সম্পন্ন করা হচ্ছে এবং মাত্র ১২থেকে ১৫দিনের মধ্যেই অধিকাংশ আবেদন গুলো নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
ভূমি সংক্রান্ত মিসকেস গুলোও দ্রুত শুনানির মাধ্যমে সমাধান করা হচ্ছে,ফলে দীর্ঘদিনের (ভুমি সংক্রান্ত)জট একেবারেই কমে এসেছে।উপজেলা ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ জানান,আগের তুলনায় এখন অনেক সহজে এবং হয়রানি ছাড়াই সেবা পাওয়া যাচ্ছে। পাকুল্যা গ্রামের আব্দুল কাদের,দিগদাইরের লোকমান হোসেন ও চরপাড়ার ইলিয়াস আলী বলেন,কাগজপত্র ঠিক থাকলে এখন আর ভোগান্তি হয় না,অল্প সময়েই নামজারি হাতে পাচ্ছি।শুধু ভূমি সেবায় নয় নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমেও বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন তিনি।
বালু উত্তোলন,মাদক,ভোক্তা অধিকার,বাজার মনিটরিং এবং পেট্রোল পাম্পে অভিযান চালিয়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রতিনিয়তই কাজ করেছেন। অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগে ট্রাক্টর জব্দ,অর্থদণ্ড এবং মামলা দায়েরের পাশাপাশি এক কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীকে ৪মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।বিশেষ করে বেপরোয়া বালুবাহী ট্রাক্টর ও ট্রলির কারণে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশেই কমে এসেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। মাদকবিরোধী অভিযানে তার অগ্রণী ভূমিকার কারণে মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে তিনি আতঙ্কের এক নাম হয়ে উঠেছেন।
এছাড়াও তিনি সাফল্যের সঙ্গে পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্বও পালন করে যাচ্ছেন।এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার(ভূমি)শাহানাজ পারভীন বলেন,সরকার আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে,তা যথাযথভাবে পালন করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। সবার সহযোগিতায় আমি চাই সোনাতলার মানুষ যেন সরকারি নিয়ম অনুযায়ী স্বচ্ছ ও হয়রানি মুক্ত সেবা পায় সেই চেষ্টাও রয়েছে। ভূমি সংক্রান্ত কোনো সেবার জন্য নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। ফলে তিনার এমন উদ্যোগে সোনাতলায় ভূমি সেবায় স্বস্তি ফিরেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল
