যশোরের চৌগাছা উপজেলায় মেয়ে ঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ছুরিকাঘাতে একজন নিহত ও অপর একজন গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
নিহত ব্যক্তি হলেন ঝন্টু (৩২), পিতা শফিয়ার রহমান এবং গুরুতর আহত আশানুর রহমান (৩৫), পিতা মশিয়ার রহমান। তারা উভয়েই উপজেলার মাড়ুয়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আবু উবাইদা (৩৫), পিতা জহুরুল ইসলাম দাউদ, সাং দক্ষিণ সাগর, থানা চৌগাছা, জেলা যশোরসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জন মিলে ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এতে ঝন্টুর বুকের বাম পাশে দুটি এবং আশানুর রহমানের বুকের মাঝখানে একটি ছুরিকাঘাত করা হয়। হামলার পর অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দুইজনকে উদ্ধার করে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফাহমিদা ইয়াসমিন জ্যোতি ঝন্টুকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর আহত আশানুর রহমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে তাকে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ১৯ মে নিহতের মামাতো বোন তামিমা আক্তার জুঁই (১৪) অজ্ঞাত এক ব্যক্তির সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এ ঘটনার জের ধরে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানা গেছে।
