কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার-জামায়াত সংঘর্ষ: পাল্টাপাল্টি মামলায় আসামি ৩৬

গণঅধিকার পরিষদ ও জামায়াত নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুই মামলায় ৩৬ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭০ থেকে ৮৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। এখনও কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি।

মামলার বিষয়টি আজ মঙ্গলবার নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকির হোসেন।

তিনি জানান, এমপি আমির হামজার ব্যক্তিগত সহকারী মোমিন বিশ্বাসের করা এজাহারটি সোমবার রাত ৮টা ২৫ মিনিটে মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়। একই রাতে রাত ১২টা ১০ মিনিটে গণঅধিকার পরিষদের কুষ্টিয়া সদর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক রুমন হোসেনের এজাহারটি মামলা হিসেবে রুজু করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, মোমিন বিশ্বাসের করা মামলায় গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সংসদ সদস্যের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ মামলায় গণঅধিকার পরিষদের কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক, সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদ ও কেন্দ্রীয় নেতা শাকিল আহমেদ তিয়াসসহ ২৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

অন্যদিকে রুমন হোসেনের করা মামলায় জামায়াত নেতা হাফিজুর রহমান জিহাদী, তানভীর ও আলী আহসান মুজাহিদসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে গণআধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও রাশেদ খানকে নিয়ে মুফতি আমির হামজার দেয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে কুষ্টিয়া শহরের থানাপাড়া জামে মসজিদের সামনে ছয়রাস্তার মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করছিল গণধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার নেতাকর্মীরা। এসময় আমির হামজা সেখানে গাড়িবহর নিয়ে পৌঁছালে তার সঙ্গে থাকা জামায়াতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। পরে উভয়পক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে আমির হামজার গাড়ির কাঁচ ভেঙে যায়। এছাড়াও দুপক্ষের অনন্ত ১৩ জন আহত হন। এ ঘটনার পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে জামায়াত নেতাকর্মীরা গণঅধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক হামলা ও ভাঙচুর চালায়।

বাংলা ম্যাগাজিনএআর

Exit mobile version