ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মগটুলা ইউনিয়নের মধুপুর বাজারে আঞ্চলিক সড়কের পাশে মধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফটকের সামনেই দেখা মিলেছে এমন ঝুঁকিপূর্ণ চিত্র। এর পাশেই রয়েছে মধুপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়। দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে পেট্রলপাম্প স্থাপন করায় চরম ঝুঁকিতে ক্লাস করছে সেখানকার শত শত শিক্ষার্থী।
জানা গেছে, ট্রেড লাইসেন্সে রয়েছে শুধু জ্বালানি তেল খুচরা বিক্রির অনুমতি। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছ থেকে কেবল তেল বিক্রির এই লাইসেন্স নিয়েই গড়ে তোলা হয়েছে একটি মিনি পেট্রলপাম্প। তাও একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঠিক প্রবেশদ্বারের সামনে।
জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, একটি বৈধ ফিলিং স্টেশন বা পেট্রলপাম্প স্থাপনের জন্য আসা-যাওয়ার বিস্তর জায়গা থাকা বাধ্যতামূলক। এছাড়া জেলা প্রশাসকের অনাপত্তিপত্র (এনওসি), বিস্ফোরক পরিদপ্তরের লাইসেন্স, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ছাড়পত্র এবং স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতিসহ বহু আইনি ধাপ পেরিয়ে তবেই অনুমোদন মেলে পেট্রলপাম্পের।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম আইন এবং বিস্ফোরক আইন অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল বা জনবহুল বাজারের সন্নিকটে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন দাহ্য পদার্থ মজুদ ও পাম্প স্থাপন সম্পূর্ণ অবৈধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় মগটুলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শিহাব উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সাইফুল নামের একজন কেবল ডিজেল ও কেরোসিন বিক্রির জন্য একটি সাধারণ ট্রেড লাইসেন্স নিয়েছেন। কিন্তু সেই লাইসেন্স দিয়ে তিনি যে আস্ত ফিলিং স্টেশন বানিয়ে ফেলেছেন, তা আমার জানা নেই। এ বিষয়ে দ্রুত খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
