ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে গিয়ে গত কয়েক মাসে অন্তত ছয়জনের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলা, ভুল চিকিৎসা ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিহতদের মধ্যে ছয় মাস বয়সী একটি শিশুও রয়েছে। কোনো ঘটনায় অস্ত্রোপচারের পর, কোনো ঘটনায় ইনজেকশন দেওয়ার পর রোগীর অবস্থার অবনতি এবং কোনো ঘটনায় চিকিৎসকের পরিবর্তে নার্স বা সহকারী দিয়ে চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার করানোর অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা।
কোনো কোনো মৃত্যুর পর ক্ষুব্ধ স্বজনেরা সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল বা ক্লিনিকে ভাঙচুরও করেছেন। তবে এসব ঘটনায় চিকিৎসায় গাফিলতি বা ভুল চিকিৎসার অভিযোগের সত্যতা এখনো তদন্তসাপেক্ষ। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমন তথ্যও পাওয়া যায়নি।
এদিকে এতগুলো মৃত্যুর ঘটনায় অভিযোগ ওঠার পরও তদন্তের অগ্রগতি ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্বাস্থ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তদন্ত চলছে। কিন্তু তদন্তের প্রতিবেদন কবে প্রকাশ হবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
(কয়েক মাসে ছয় মৃত্যুর অভিযোগ)
গত ৫ এপ্রিল নবীনগরের লাউর ফতেহপুর এলাকার মিজান মিয়ার মেয়ে রাকিবা আক্তার প্রসবের জন্য নবীনগরের আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি হন। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর তাঁর মৃত্যু হয়। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে ক্ষুব্ধ স্বজনেরা হাসপাতালটিতে ভাঙচুর করেন।
এরপর ২৪ জুন হবিগঞ্জের মাধবপুরের গিয়াস উদ্দিনের ছয় মাস বয়সী ছেলে আনাসকে হাম বা হামজাতীয় উপসর্গ নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পাইকপাড়ার দি মেঘনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে তার মৃত্যু হয়।
নবীনগর উপজেলার বিদ্যাকুট পশ্চিমপাড়ার মো. আশরাফুল মিয়ার স্ত্রী মাইশা আক্তারের মৃত্যুকেও ঘিরে অভিযোগ রয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে ২৮ জুন তাঁকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মডার্ণ এক্সরে অ্যান্ড প্যাথলজি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক ডা. পি. বি. রায় সুপ্রিয় তাঁকে পরীক্ষা করেন।
পরিবারের দাবি, চিকিৎসকের পরামর্শে ‘ট্রাইজোন’ ইনজেকশন ও নেবুলাইজেশন দেওয়া হয়। স্বজনেরা অভিযোগ করেন, চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী তাঁর সহকারী সুধাংশু ক্লিনিকেই মাইশাকে ইনজেকশন দেন। এরপর তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হয়। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে পরিবার জানায়।
সরাইল উপজেলার সৈয়দটুলা গ্রামের পশ্চিমপাড়ার রহিমা বেগমের (৩০) মৃত্যুর ঘটনাতেও চিকিৎসায় অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। পরিবারের ভাষ্য, পাঁচ মাসের মৃত ভ্রূণ অপসারণের জন্য তাঁকে সরাইলের মনোয়ারা হাসপাতালে নেওয়া হয়। স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকের পরিবর্তে একজন নার্স দিয়ে ডি অ্যান্ড সি (D&C) করানো হয়। এরপর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৯ জুলাই তাঁর মৃত্যু হয় বলে পরিবার জানায়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের হালদারপাড়ার নিরাময় ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারেও এক নারী রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসায় অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার অভিযোগ ওঠে। মৃত্যুর পর স্বজনেরা ক্লিনিকটিতে ভাঙচুর করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে নিহত ওই নারীর নাম-ঠিকানা ও মৃত্যুর বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সর্বশেষ ৯ আগস্ট সিজারের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন সদর উপজেলার গোকর্ণঘাট গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে জুলফা আক্তার। পরিবারের অভিযোগ, কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রঞ্জিত বিশ্বাসের অধীনে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। অস্ত্রোপচারের সময় অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি স্বজনদের।
স্বজনদের আরও অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের সময় শিক্ষানবিশদের দিয়ে অস্ত্রোপচার করানো হয় এবং এতে জরায়ু কেটে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ঘটে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
(‘তদন্ত চলছে’, বলছে স্বাস্থ্য প্রশাসন)
এতগুলো মৃত্যুর ঘটনায় গুরুতর অভিযোগ উঠলেও এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিকের বিরুদ্ধে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে দৃশ্যমান আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. নোমান মিয়ার সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হলে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। তবে আমরা বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত আছি এবং তদন্ত চলমান রয়েছে। দোষী প্রমাণিত হলে এবং বিষয়টি আইনের আওতায় এলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তাঁর বক্তব্যের পর প্রশ্ন উঠেছে, এসব অভিযোগের তদন্ত কত দূর এগিয়েছে? তদন্ত প্রতিবেদন কবে প্রকাশ করা হবে? চিকিৎসায় গাফিলতি প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে? রোগীর মৃত্যুর পর পরিবারের লিখিত অভিযোগ না থাকলে স্বাস্থ্য প্রশাসন কি স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত করতে পারে না?
বেসরকারি চিকিৎসাসেবায় নানা অভিযোগ
শুধু মৃত্যুর ঘটনা নয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বেসরকারি চিকিৎসাসেবা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ রয়েছে। প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো, অতিরিক্ত ফি আদায়, দালালের দৌরাত্ম্য, চিকিৎসকের পরিবর্তে সহকারী বা নার্স দিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। কোথাও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও দক্ষ জনবলের ঘাটতির অভিযোগও পাওয়া যায়।
এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকদের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে রোগী দেখানো, নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা করাতে পরামর্শ দেওয়া এবং অকার্যকর ওষুধ প্রেসক্রাইব করার অভিযোগও রয়েছে। পাশাপাশি অদক্ষ বা নিবন্ধনহীন নার্স এবং বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) অনুমোদনহীন ডিউটি চিকিৎসকের মাধ্যমে সেবা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সামাজিক সংগঠন তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক শামীম আহমেদ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালে অব্যবস্থাপনা, অদক্ষ কর্মী, প্রশিক্ষণ বা ডিপ্লোমাবিহীন নার্স দিয়ে সেবা, অনুমোদনহীনভাবে হাসপাতাল পরিচালনা, রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে প্রতারণা এবং দালালের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে রোগী ভাগ-বাটোয়ারা এবং চিকিৎসকদের ওপর বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক চাপের অভিযোগও রয়েছে।
শামীম আহমেদ বলেন, ‘মানুষের মৌলিক অধিকারগুলোর মধ্যে চিকিৎসাসেবা অন্যতম। কিন্তু দেশের চিকিৎসাব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা দিন দিন কমে যাচ্ছে। ভালো চিকিৎসাসেবা পাওয়ার আশায় অনেকেই ভারতসহ বিদেশমুখী হচ্ছেন, যা দেশের স্বাস্থ্যখাতের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়।’
গত কয়েক মাসে ছয়জন রোগীর মৃত্যুর ঘটনা দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিটি ঘটনার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও তদন্তের অগ্রগতি, প্রতিবেদন প্রকাশ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠনের মধ্যেই যেন কোনো ঘটনার পরিণতি সীমাবদ্ধ না থাকে, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
(জরিমানা, কিন্তু নজরদারি কতটা?)
বিভিন্ন সময়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে হাসপাতাল ও ক্লিনিককে জরিমানা করার প্রসঙ্গও এসেছে। শামীম আহমেদ বলেন, নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হচ্ছে। এতে এসব প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অস্তিত্বের বিষয়টি স্পষ্ট হয়। কিন্তু অভিযানের পরও কেন প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিয়মিত ও কার্যকর নজরদারি জোরদার করা হচ্ছে না, সেটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
তিনি বলেন, শুধু অভিযান পরিচালনা বা জরিমানা করাই যথেষ্ট নয়। কোনো প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম ধরা পড়লে পরবর্তী সময়ে প্রতিষ্ঠানটি নিয়ম মেনে চলছে কি না, রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে কি না এবং একই ধরনের অনিয়ম আবার ঘটছে কি না—এসব বিষয়ও নিয়মিত তদারকির আওতায় আনতে হবে।
(নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি)
ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. আক্তার হুসাইনের কাছে এসব মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মৃত্যুর বিষয়টি সম্পর্কে আমরাও অবগত আছি।’
আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেবে সিভিল সার্জন।’
তবে এতগুলো মৃত্যুর ঘটনায় এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন ডা. আক্তার হুসাইন। তিনি বলেন, ‘জনগণের আস্থা ফেরানোর স্বার্থে প্রয়োজনে তদন্ত কমিটিতে দেশের কোনো মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক কিংবা অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকদের অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।’
এদিকে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের সঙ্গে কথা বলে আরও অভিযোগ পাওয়া গেছে, কোনো কোনো ঘটনায় রোগীর মৃত্যুর পর বিভিন্ন মহলের মধ্যস্থতায় আর্থিক সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি হাসপাতাল বা ক্লিনিকের মধ্যেই মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ ধরনের সমঝোতা হয়ে থাকলে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জনসম্মুখে না আসার এবং প্রশাসনিক বা আইনি প্রক্রিয়া দৃশ্যমান না হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
প্রশ্ন থেকেই যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সংখ্যা বাড়ছে। বাড়ছে বেসরকারি চিকিৎসাসেবার পরিধিও। কিন্তু এর সঙ্গে রোগীর নিরাপত্তা, চিকিৎসার মান ও জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে স্বাস্থ্যসেবা মানুষের আস্থার জায়গা না হয়ে আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠতে পারে।
স্বজনদের অভিযোগ, মৃত্যুর পর কিছুদিন আলোচনা-সমালোচনা হলেও সময়ের সঙ্গে ঘটনাগুলো চাপা পড়ে যায়। তদন্তের কথা বলা হলেও অনেক সময় তদন্তের ফলাফল সাধারণ মানুষের সামনে আসে না।
তাই প্রশ্ন থেকেই যায়—ভুল চিকিৎসার অভিযোগে একের পর এক মৃত্যুর তদন্ত কোথায় গিয়ে থেমে যায়? অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা কতটা হয়?
(বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি কোথায়?)
সচেতন নাগরিকদের দাবি, প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জনসম্মুখে প্রকাশ করা হোক। চিকিৎসায় অবহেলা বা অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর লাইসেন্স, চিকিৎসক-নার্সসহ জনবল, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও চিকিৎসাসেবার মান নিয়মিত পরিদর্শনের আওতায় আনা হোক।
কারণ হাসপাতাল ব্যবসার জায়গা হতে পারে, কিন্তু রোগীর জীবন কোনো ব্যবসার পণ্য হতে পারে না।
