ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ঘোষণাকে দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা থেকে মানুষের দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত তথাকথিত ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও পরাজয় ডেকে আনবে বলে সতর্ক করেছেন আরাগচি।
সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে না পেরে দেশটির বিরুদ্ধে ‘সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান’ শুরুর ঘোষণা দেন ট্রাম্প। ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে সহায়তা করলে অন্য দেশগুলোকেও কঠোর আর্থিক শাস্তির মুখে পড়তে হবে বলে সতর্ক করেন তিনি।
তবে আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিজেরই অনেক অর্থনৈতিক সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যা থেকে মানুষের নজর সরাতেই ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে চাপ তৈরির চেষ্টা করছেন ট্রাম্প।
এর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, কোনো এক সময় ইরানের সঙ্গে আবারও আলোচনা হতে পারে। তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হলো ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখা।
এদিকে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য থেকে ‘সম্মানজনকভাবে বের হওয়ার’ পথ খুঁজছে। একই সঙ্গে তারা এই অঞ্চলে একটি ‘নতুন আঞ্চলিক ব্যবস্থা’ তৈরি করতে চাইছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপরও চাপ বাড়তে পারে।
