শরীয়তপুরে মাদক দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা ও মারধর: ছাত্রদল নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভিডিও

শরীয়তপুরের সখিপুরে পূর্ববিরোধের জের ধরে পকেটে ইয়াবা ট্যাবলেট ঢুকিয়ে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে ফাঁসানোর চেষ্টা এবং মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ছাত্রদল নেতা সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় সখিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরান বাবু ওরফে বাবু সরকারসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মোক্তার সিকদার নামে এক ভুক্তভোগী।

অভিযোগকারী মোক্তার সিকদার (৩৮) সখিপুর আশ্রাফ বেপারী কান্দি এলাকার বাসিন্দা। তার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে অভিযুক্তদের সঙ্গে তার বিরোধ চলে আসছিল।

থানার লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ আগস্ট রাত আনুমানিক ৯টার দিকে সখিপুর বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাজারের উত্তর মাথার ব্রিজসংলগ্ন নয়ন শরীফ সরকার কান্দি এলাকায় সেকান্দার সরদার ও তার বোনজামাই মোক্তার সিকদারের পথরোধ করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, ইমরান বাবু ওরফে বাবু সরকারের নির্দেশে আল আমিন ঢালী (৩৭), শাহাব আলী সরকার (৪৭), জিহাদ ওরফে মইজ্জা (২৭) তাদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে জিহাদ ওরফে মইজ্জা মোক্তার সিকদারের পকেটে ইয়াবা ট্যাবলেট ঢুকিয়ে তাকে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে ফাঁসানোর চেষ্টা করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীদের কিল-ঘুষি, চড়-থাপ্পড় ও লাথি মারেন। এতে তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা নগদ এক লাখ টাকা নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্তরা তা নিতে পারেননি। পরে তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এ ঘটনায় ইমরান বাবু ওরফে বাবু সরকার, আল আমিন ঢালী, শাহাবালী সরকার, জিহাদ ওরফে মইজ্জা সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে অভিযুক্ত করে সখিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

 

এবিষয়ে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা ইমরান বাবুকে বাড়ীতে পাওয়া যায় নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি তা রিসিভ করেন নি। অপর অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে চাইলে তাঁরা বিষয়ে কথা বলতে রাজি হয় নি।

Exit mobile version