নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) অন্যতম ব্যস্ত ‘পকেট গেট’ টানা ছয় দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। মূলত ছাত্রদলের দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ ও বহিরাগতদের হামলার পর নিরাপত্তাজনিত কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ক্যাম্পাসের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে হয় তাদের দীর্ঘ পথ ঘুরে প্রধান ফটক দিয়ে অন্যথায় পকেট গেটের পাশে দেয়াল টপকে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ আগস্ট সংঘর্ষের পর নিরাপত্তাজনিত কারণে পকেট গেট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে আকস্মিক এই সিদ্ধান্তের ফলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন ভাষা শহিদ আব্দুস সালাম হল, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হল এবং হযরত বিবি খাদিজা হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।
খাওয়া-দাওয়া, প্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটা ও দ্রুত চলাচলসহ দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে শিক্ষার্থীরা মূলত এই গেটটির ওপরই নির্ভরশীল। কিন্তু পাঁচদিন ধরে গেটটি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় সামান্য কাজের জন্যও দীর্ঘ পথ ঘুরে প্রধান ফটক দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা পড়াশোনার পাশাপাশি সাধারণ জীবনযাত্রায় তীব্র ভোগান্তি তৈরি করেছে।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হলে যেমন বিশ্বজুড়ে সংকট তৈরি হয়, তেমনি নোবিপ্রবির পকেট গেট বন্ধ থাকায় অবরুদ্ধ ও স্থবির হয়ে পড়েছে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক জীবন।’
প্রক্টর অধ্যাপক এএফএম আরিফুর রহমান বলেন, ‘ক্যাম্পাস ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সাময়িকভাবে পকেট গেটটি বন্ধ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।’
