সরকারি বরাদ্দে বিরোধীদল বঞ্চিত, বৈষম্য নিয়ে ক্ষুব্ধ জামায়াত আমির

সারাদেশে বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি দলের ধারে-কাছেও বিরোধীদলের এমপিরা নেই বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতের ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সংসদের বাইরেও বৈষম্য পাকাপোক্ত হচ্ছে বলে আমাদের কাছে এখন মনে হচ্ছে। সরকারি বরাদ্দ কোনো দলের না। অথচ সরকারি দল নির্বাচনের আগে বলেছিলেন বৈষম্য করবেন না, দেশের সুষম উন্নয়নে হাত দেবেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শন শেষে বিরোধী দলীয় নেতা এসব কথা বলেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা দেশ ও জনগণের জন্য এনসিপিসহ একসাথে কাজ করছি। সংসদের ভেতরে ও বাইরে এবং বিগত নির্বাচনে একসাথে লড়াই করেছি। আমরা গঠনমূলক বিরোধীদল হিসেবে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, সরকারের দুটি অঙ্গ একটি সরকারি দল আরেকটি বিরোধীদল। এছাড়া দেশ চলতে পারে না। বিরোধীদল ছাড়া গণতন্ত্র শূন্য। সংসদে বিরোধীদল হিসেবে যেটুকু পাওনা, সেখানে আমরা বহুলাংশে বঞ্চিত হচ্ছি।

জামায়াত আমির বলেন, একটি দেশের ভিতরে যখনই বৈষম্যের সৃষ্টি হয়, তখন সামাজিক অসন্তোষ দেখা দেয়। দেশ কখনো এগিয়ে যেতে পারবে না, যদি একটি স্থিতিশীল সমাজ গড়ে না ওঠে। এটি তৈরি করার মূল দায়িত্ব সরকারি দলের।

আন্দোলন প্রসঙ্গ টেনে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আমরা অত্যন্ত নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় জনগণের দাবি ও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন করছি। সরকার আমাদের রাজপথে ঠেলে দিয়েছে। বাংলাদেশে আরেকটি নতুন ফ্যাসিবাদ কায়েম হতে দেব না। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে এনসিপিকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান জামায়াতের আমির।

এনসিপির কার্যালয়ে পৌঁছালে বিরোধীদলীয় নেতাকে স্বাগত জানান এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং সংরক্ষিত এমপি ডা. মাহমুদা মিতুসহ অন্যান্য নেতারা। এসময় জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন দলটির কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ ও প্রচার কমিটির সদস্য মুহাম্মদ জাহিদুর রহমান।

Exit mobile version