একাত্তরের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে দেশ বিনির্মাণে সরকার বদ্ধপরিকর বলে মন্তব্য

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ শনিবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবারের সদস্যদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বললেন, একাত্তরের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দেশ বিনির্মাণে কাজ করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।

বিগত প্রায় দেড় দশকের আওয়ামী শাসনামলে রাজনৈতিক ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী ও ভিন্নমত দমন করতে পরিকল্পিত গুম এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত, এই শাসনামলে মোট ১ হাজার ৫৬৯টি গুমের ঘটনা নিশ্চিত করেছে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। এর মধ্যে অন্তত ২৫১ জন ব্যক্তি এখনো নিখোঁজ।

সবশেষ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে, দীর্ঘ ১৭ বছরের আওয়ামী শাসনামল শেষ হয়। জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেবল এই অভ্যুত্থানেই আনুমানিক ১ হাজার ৪০০ জন মানুষ নিহত হয়।

গুমের শিকার ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে নিহত এসব পরিবারের সদস্যদের জন্য এইবার চাকরির ব্যবস্থা করলো সরকার। শনিবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় ভুক্তভোগী কয়েকজনের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

পরে হতাহত এসব পরিবারের সদস্যরা গেলো ১৬ বছরে গুম খুন ও বিচারবহির্ভুত হত্যা এবং ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের নারকীয় হত্যার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গুমের শিকার ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী মানুষগুলোর কারণেই আজ ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ। তারা যে লক্ষ্য বা উদ্দ্যেশ্য নিয়ে দেশের জন্য ত্যাগ শিকার করেছেন বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করবে তা বাস্তবায়নের।’

Exit mobile version