রংপুরে ৪ খুন: দেরিতে ডোপ টেস্টে মাদক মেলেনি, নেপথ্যে কারণ জানাল পুলিশ

রংপুরের আলোচিত সপরিবারে শিক্ষক খুনের ঘটনায় দুই আসামি মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের ডোপ টেস্টে দেরির কারণে মাদকের অস্তিত্ব মেলেনি বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। হত্যাকাণ্ডের ১০ দিন এবং গ্রেফতারের আট দিন পর রবিবার (৩০ আগস্ট) ডোপ টেস্টের জন্য মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিলো।

ডোপ টেস্টের রিপোর্টের বিষয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রাশেদুল হক বলেন, এমফিটামিন অনেকদিন পর্যন্ত রক্তে বা মূত্রে থাকে না, প্রস্রাবে সাধারণত পাঁচ থেকে সাত দিন থাকে, এরপরে আর পাওয়া যায় না। যেহেতু তারা সাত দিনের বেশি সময় ধরে আটক অবস্থায় আছে, তাই মাদক গ্রহণ করতে পারে নি। সাত দিনের বেশি হলে এমফিটামিনের উপস্থিতি প্রস্রাবের ভেতরে পাওয়া যায় না।

এদিকে, ডোপ টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহে দেরি হওয়ার জন্য আদালতের অনুমতি নেওয়াসহ প্রক্রিয়াগত জটিলতার বিষয়টি জানিয়েছেন সনাতন চক্রবর্তী।

একদিন পর সোমবার (৩১ আগস্ট) রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র ও উপকমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী সাংবাদিকদের বলেছেন, গতকাল জেলগেট থেকে দুই আসামির নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ওই নমুনা পরীক্ষা করে এমফিটামিনের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

সনাতন চক্রবর্তী বলেন, ‘প্রথমে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হয়, আমরা তাদের ডোপ টেস্ট করাবো কিনা। এরপর আমরা আদালতে আবেদন করেছি। আদালত সেটা বিবেচনা করেছেন, এরপর আদালত আদেশ দিয়েছেন। সেই আদেশটি আমরা পেয়েছি বৃহস্পতিবার। এরপর দুই দিন ছুটি ছিল। তারপর প্রথম ওয়ার্কিং ডে তেই আমরা এটা (ডোপ টেস্ট) করেছি।’

Exit mobile version