জামায়াতে ইসলামীতে বিভিন্ন বিতর্কিত ব্যক্তি যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে দলটির সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন।
তিনি দাবি করেছেন, জামায়াত ‘অপরাধী ও বিতর্কিতদের পুনর্বাসন করে সঠিক পথে আনার উদ্যোগ’ নিয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন।
পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, জামায়াতে যোগ দেওয়া অতিরিক্ত বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমানকে ২০০৪ সালে অর্থের বিনিময়ে জামিনের আশ্বাস দেওয়ার অভিযোগে অপসারণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি অপসারণের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে যান। তবে ২০১৫ সালে আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপতির দেওয়া অপসারণের আদেশ বহাল রাখেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
রাশেদ খাঁন বলেন, ‘এবার তিনি জামায়াতে যোগদান করে অতীতের সমস্ত বিতর্ক থেকে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। জামায়াতকে ধন্যবাদ যে, জামায়াত অপরাধী ও বিতর্কিতদের পুনর্বাসন করে সঠিক পথে আনার উদ্যোগ নিয়েছে।’
তিনি দাবি করেন, ৩৬ বছর ধরে একজন মানুষ ‘মানুষ হতে না পারলেও’ জামায়াতে যোগ দেওয়ার পর তিনি ভালো মানুষ হয়ে গেছেন—এমন বক্তব্য দেওয়া হয়েছে।
এ নিয়ে রাশেদ খাঁন ব্যঙ্গাত্মকভাবে বলেন, জামায়াতের ‘আলাদিনের চেরাগ’ দেখার তার খুব ইচ্ছে। সেখাঁনে এমন কী জাদু আছে, যার মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে একজন অপরাধীও পাপমুক্ত মানুষ হয়ে যায়—এমন প্রশ্ন তোলেন তিনি।
পোস্টের শেষ দিকে রাশেদ খাঁন বলেন, ভোটের আগে জান্নাতের টিকিটের মতো জামায়াত বর্তমানে ‘অপরাধী পাপমুক্তকরণ টিকিট’ চালু করেছে বলে মনে হচ্ছে। তবে সব অপরাধী জামায়াতে গিয়ে ভালো মানুষ হয়ে গেলে দেশ অপরাধীমুক্ত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
