
বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন সব ক্রিকেটারই থাকে। ব্যতিক্রম হওয়ার কথা নয় নাহিদ রানার ক্ষেত্রেও। আর সেটা যদি হয় প্রথম কোনো বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা তাহলে আনন্দ বহুগুণ বাড়ারই কথা!
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তেমনি এক সম্ভাবনা হাতছানি দিচ্ছে নাহিদ রানাকে। তবে বিশ্বকাপের স্কোয়াডে থাকা নিয়ে ভাবছেন না তিনি।
রংপুর রাইডার্সের হয়ে বিপিএলে মনোযোগ দিতে চান বাংলাদেশি পেসার। বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে দলের প্রথম অনুশীলন শেষে এমনটিই জানিয়েছেন তিনি।
গতকাল ভারত বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করলেও বাংলাদেশ এখনো করেনি। তাই বিপিএলে দারুণ কিছু করার সুযোগটাই হয়তো নিতে চাচ্ছেন নাহিদ রানা।
তিনি বলেছেন, ‘আসলে বিশ্বকাপ তো বিপিএলের পর। আমি অতদূরে চিন্তা করছি না। আমি আপাতত চেষ্টা করছি রংপুর রাইডার্সের হয়ে কিভাবে ম্যাচ জেতাব এবং রংপুর রাইডার্সের জন্য কতটুকু অবদান রাখতে পারি।
নিজের বোলিং নিয়ে নাহিদ রানা বলেছেন, ‘আপনি যেটা শুরুতে বললেন..দেখুন, যারা অতিরিক্ত পেস বোলিং করে তারা হচ্ছে গেইম চেঞ্জার।
এমন সময় আসবে দেখবেন এমন একটা ম্যাচ জিতিয়ে দিয়েছে যেটা অপ্রত্যাশিত। আবার এমন সময় আসবে যখন রান দিয়েছে। যারা এক্সপ্রেস পেসার তাদের ইকনোমিটা একটু বেশি ধাকে, ছোট বাউন্ডারি। আমি কখনই এই জিনিসটা ভাবি না বাউন্ডারি ছোট কিংবা বড়। আমি চেষ্টা করি লাইন লেংথ ঠিক করে বেসিক বোলিং করার।
মুস্তাফিজের সঙ্গে খেলতে পারাটা সৌভাগ্যের বলে মনে করছেন নাহিদ রানা। ২৩ বছর বয়সী পেসার বলেছেন, ‘দেখুন, মুস্তাফিজ ভাইয়ের মতো বোলার বিশ্বে খুব কমই আছে। বিশ্ব ক্রিকেটে উনি ডমিনেট করে খেলতেছে। যে কয় বছর ধরে খেলছে উনি মাশা আল্লাহ ডমিনেট করেই খেলছে।
অবশ্যই, উনার সাথে জাতীয় দলে খেলেছি এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে একসাথে খেলতে পারাটা অনেক সৌভাগ্যের। অনেক কিছু শেখার আছে।’
আগামী ২৬ ডিসেম্বর শুরু হবে বিপিএল। এবারের বিপিএলে রংপুরের সঙ্গে কোন দলের লড়াই হবে, এমন প্রশ্নের উত্তরে নাহিদ রানা বলেছেন, ‘প্রত্যেকটা দলই ব্যালেন্সড। কারণ কোনো দলকেই ছোট করে দেখার বিষয় না। প্রত্যেকটা দলই নিজের জায়গা থেকে সেরা এবং শক্তিশালী।’





