নির্বাচনী ব্যয়ে আইন ভঙ্গ ও মিথ্যা তথ্য দেওয়ার সংস্কৃতির সমালোচনা করে নির্ধারিত সীমার বাইরে এক টাকাও খরচ করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) যুগ্ম সদস্য সচিব ও ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা।
এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করতে পারেন। তবে বাস্তবে অনেক প্রার্থী নির্বাচনে ২০ থেকে ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ করেন, যা আইনের পরিপন্থী। পরে নির্বাচন কমিশনে মাত্র ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ের হিসাব দেখানো হয়। তাঁর ভাষায়, এর ফলে সংসদে যাওয়ার পথটাই শুরু হয় আইন ভাঙা ও মিথ্যা বলার মাধ্যমে।
তাসনিম জারা বলেন, আমি এই অসততা ও মিথ্যার রাজনীতি করব না। আইনে অনুমোদিত টাকার বাইরে আমি এক টাকাও খরচ করব না। তিনি জানান, অনেকেই তাঁকে বলেছেন এত কম বাজেটে নির্বাচন করা অসম্ভব, তবে তাঁর মতে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে এই পথেই যেতে হবে।
নির্বাচনী ব্যয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন খরচ যখন ১০–২০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়, তখন নির্বাচিত হওয়ার পর সেই টাকা তুলতে চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজিতে জড়িয়ে পড়া অনেকের কাছে ‘বাধ্যতামূলক’ হয়ে ওঠে। এতে রাজনীতি সাধারণ মানুষের হাতছাড়া হয়ে একটি সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী চলতি নির্বাচনে তাঁর ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত হয়েছে ৪৬ লাখ ৯৩ হাজার ৫৮০ টাকা। এ অর্থ জনগণের কাছ থেকেই স্বচ্ছভাবে সংগ্রহ করতে চান জানিয়ে তাসনিম জারা বলেন, প্রাপ্ত ও ব্যয়িত প্রতিটি টাকার হিসাব প্রমাণসহ জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।
এ লক্ষ্যে তিনি একটি নতুন ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্ট খোলার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
