বাড়তি দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে একটি চিঠি দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

সরকার নির্ধারিত মূল্যে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি করতে সব পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাকে অনুরোধ জানিয়েছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব)।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সংগঠনটি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকদের বাড়তি দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে একটি চিঠি দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে লোয়াব এই খাতের ব্যবসায়ীদের সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির অনুরোধ জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়, সমপ্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে এলপিজি সিলিন্ডার সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ অবস্থায় এলপিজি সিলিন্ডার সরকার নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রির বিষয়ে অভিযান পরিচালনা ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। লোয়াব বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এলপিজি বোতলজাতকারী প্রতিষ্ঠান থেকে সরকার নির্ধারিত মূল্যেই সিলিন্ডার সরবরাহ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে জাতীয় ভোক্তাঅধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকদের এই অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান ও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের এ মুহূর্তে জনদুর্ভোগ কমানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। তাই দেশের সব এলপিজি পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাকে সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রির জন্য অনুরোধ করা হলো। এদিকে সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এলপিজির দাম কেজিতে ৩২ টাকা ৩০ পয়সা বাড়িয়ে এপ্রিল মাসের দাম নির্ধারণ করেছেন। ফলে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৭২৮ টাকা। গত মাসে এর দাম ছিল ১ হাজার ৩৪১ টাকা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভোক্তারা এখন ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার দুই হাজার টাকাও কিনতে পারছে না।

Exit mobile version