রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রী ও তার কন্যাকে নিয়ে আমি পোস্ট করিনি’: আল মাহমুদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে ভুয়া স্ক্রিনশর্ট ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সাবেক তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে জানতাম যে পোস্টটি আমি করিনি। আমি ফেসবুকে সেটার ক্লারিফিকেশনও দিয়েছিলাম। আমি চেয়েছিলাম বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত হোক -প্রয়োজনে আমার ফোন ফরেনসিক পরীক্ষা করা হোক, যাতে সত্য প্রকাশ পায়।’

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে ডাকসু ভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের কাছে এমন দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘একইসাথে আমি যে হুমকি পাচ্ছিলাম, সে বিষয়ে জিডি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু একটি থানা হিসেবে রাষ্ট্রের নাগরিককে নিরাপত্তা দেওয়ার যে দায়িত্ব, তা তারা সম্পূর্ণভাবে পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে।’

শিবির নেতা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, ‘যখন আমার কাছে অনবরত লাইফ থ্রেট আসতে থাকে, তখন আমি বিষয়টিকে আমার জীবনের জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে শাহবাগ থানায় জিডি করার সিদ্ধান্ত নিই। তাৎক্ষণিকভাবে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে আমি শাহবাগ থানার উদ্দেশ্যে রওনা হই। থানায় গিয়ে যখন আমি প্রাথমিকভাবে বিষয়টি জানাই, তখন তারা প্রথমে বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে অবহেলার সাথে সময় ক্ষেপণ করার চেষ্টা করে।’

তিনি বলেন ‘এক পর্যায়ে মাগরিবের পর আমি দেখি, আমরা তখন শাহবাগ থানার ওসির (অপারেশন) রুমের সামনে অবস্থান করছিলাম। এ সময় ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় নেতা সাহসের নেতৃত্বে একদল উগ্র মব থানার ভেতরে ঢুকে পড়ে এবং আমাকে খুঁজতে থাকে। পরিস্থিতি বুঝে আমি দ্রুত একটি রুমের ভেতরে ঢুকে পড়ি।’

শিবিরের এই নেতা আরও বলেন, ‘রুমে ঢোকার পর তারা দরজা ধাক্কা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে এবং আমাকে অনবরত গালিগালাজ করতে থাকে -“তোকে মেরে ফেলবো”, “ সাহস থাকলে দেশে থাকিস”-এমন নানা হুমকি এবং অকথ্য ভাষায় স্লোগান দিতে থাকে। সেখানে আমি অত্যন্ত উদ্বেগজনক বিষয় লক্ষ্য করি-পুলিশ কোনো সক্রিয় ভূমিকা পালন করেনি। তারা যেন সাধারণ দর্শকের মতো দাঁড়িয়ে ছিল। প্রশাসনের ওপর এভাবে হামলা হলেও তারা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি।’

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন

Back to top button