বিনোদন

ভারতের পর দুবাইয়েও সাইবার হয়রানির শিকার মান্দানা করীমী: রহস্যময় ই-মেলের আতঙ্ক

ভারত ছেড়ে দুবাই গিয়েও শান্তিতে নেই ইরানি মডেল ও বলিউড অভিনেত্রী মান্দানা করীমী। পুরনো আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না তার। ভারত ছেড়ে দুবাইয়ে পাড়ি দেওয়ার পরেও তার পরিচিত মহলে পৌঁছে যাচ্ছে রহস্যময় ই-মেল।

সেখানে তার নামে নানা অভিযোগ, কখনও আবার টাকা চাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে। দীর্ঘ ৬ বছর ধরে চলা এই সাইবার হেনস্থা নিয়ে এবার মুখ খুললেন অভিনেত্রী।

সাবেক ‘বিগ বস’ প্রতিযোগীর দাবি, তার বিচ্ছেদের পর থেকেই অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি নিয়মিত ভাবে তাকে অনুসরণ করছেন। শুধু তাকেই নয়, তার সঙ্গে কাজ করা প্রযোজক, সহ-অভিনেতা এবং পরিচিতদের কাছেও পৌঁছে যাচ্ছে বার্তা। উদ্দেশ্য একটাই— তার কাজ, সম্পর্ক এবং সামাজিক পরিচিতি নষ্ট করে দেওয়া।

মন্দানার কথায়, ছুটিতে থাকাকালীনও ফের একই ঘটনা ঘটেছে। কয়েক বছর আগে বিষয়টির উৎস খুঁজতে তিনি ব্যক্তিগত ভাবে তদন্তের চেষ্টা করেছিলেন। তার দাবি, তখন তাকে জানানো হয়, এক জন পেশাদার হ্যাকারকে ব্যবহার করে তার সমাজমাধ্যমের কার্যকলাপ নজরে রাখা হচ্ছে। ‘মীনাক্ষী’ নামে একটি ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন পরিচিত ব্যক্তির কাছে ই-মেল পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান অভিনেত্রী।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, ভারত ছাড়ার পরেও সেই যোগাযোগ থামেনি। মন্দানার দাবি, তার বন্ধুদের কাছেও এখনও ওই ই-মেল পৌঁছোচ্ছে। ফলে দেশ বদলালেও আতঙ্কের ছায়া যেন একই রয়ে গিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে পরিচিতদের উদ্দেশে অভিনেত্রীর স্পষ্ট বার্তা, তাকে ঘিরে কোনও ই-মেল এলে তাতে বিশ্বাস না করতে। টাকা পাঠানো তো নয়ই, কোনওরকম যোগাযোগও না করে বরং বার্তাটি সংরক্ষণ করতে, স্ক্রিনশট নিতে এবং তাঁর কাছে পাঠাতে বলেছেন তিনি।

মন্দানার ব্যক্তিগত জীবনে টানাপড়েন অবশ্য নতুন নয়। ব্যবসায়ী গৌরব গুপ্তের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্কের পর ২০১৭ সালে তাঁদের বিয়ে হয়। কয়েক বছরের দাম্পত্যের পর ২০২১ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। পরে একাধিক অনুষ্ঠানে সেই সম্পর্কের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথাও প্রকাশ্যে এনেছিলেন অভিনেত্রী। এর মধ্যেই চলতি বছর ভারত ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন মন্দানা। প্রায় ১৬ বছর ভারতে থাকার পর আবেগঘন বার্তায় দেশকে বিদায় জানান তিনি। নতুন দেশ, নতুন বাড়ি, নতুন জীবন— এই আশাতেই দুবাইয়ে পাড়ি তাঁর।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন

Back to top button