
সিলেটে চার বছরের শিশু ফাহিমা হত্যার পর প্রশ্ন উঠেছে- আমরা কি মানুষ। কতটুকু মানুষ? মানুষ হলে আমরা কি পারলাম ফুটফুটে ছোট একটি শিশুর জীবন রক্ষা করতে। আমরা কি পারছি সমাজের এ কীটগুলোকে সমূলে ধ্বংস করতে। আমাদের চারপাশে বাড়ছে নষ্টদের বিচরণ।
পুতুল খেলার বয়সে একটি চার বছরের শিশুকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে হত্যার ঘটনায় হতবাক দেশের মানুষ। লজ্জিত পুণ্যভূমি সিলেটের মানুষ। মৃত্যুর মাধ্যমে ফাহিমা প্রমাণ করে গেলো এই সমাজ কতটা উপযোগী নারী শিশুদের জন্য। এই মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের বুক খালি করেনি, নাড়িয়ে দিয়েছে পুরো সিলেটকে। ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে সাধারণ মানুষ। প্রশ্ন উঠেছে, একটি শিশু কতটা অনিরাপদ হলে এমন পরিণতি হতে পারে।
ফাহিমা নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের উৎকণ্ঠা, পরে তার মরদেহ উদ্ধার এবং হত্যার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর গা শিউরে উঠার মতো হত্যার বর্ণনা দিয়েছে গ্রেপ্তার জাকির হোসেন। জাকির নিহত শিশু ফাহিমার প্রতিবেশী ও সম্পর্কে চাচা।
জাকিরকে গ্রেপ্তারের পর তার শাস্তির দাবিতে মধ্যরাত পর্যন্ত থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করে স্থানীয়রা। এরপর জাকিরের স্বীকারোক্তিমূলক একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে তাকে ফাহিমাকে হত্যার বর্ণনা দিতে শোনা যায়।





