স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে ২০১৫ সালে গুম করার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানকে গ্রেফতার দেখিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে গুম সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলেছেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৭ অক্টোবর দিন ঠিক করেছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্যরা হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এদিন এ মামলায় জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময়ের আবেদন করে প্রসিকিউশন। শুনানি শেষে আবেদন মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য পরবর্তী তারিখ ২৭ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন- প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী, তাসমিরুল ইসলামসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।
এদিকে, আজ সকালে কারাগার থেকে জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। একই মামলায় গত ১০ আগস্ট তার বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়েছিল প্রসিকিউশন। এর প্রেক্ষিতে তাকে আজ হাজিরের জন্য দিন ধার্য রাখা হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাতে রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে সালাহউদ্দিন আহমদকে তুলে নেওয়া হয়। একই বছরের ১১ মে ভারতের মেঘালয়ের শিলংয়ে তার সন্ধান পায় স্থানীয় পুলিশ। সালাহউদ্দিনকে আটক করার পর বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে প্রবেশের অভিযোগে দেশটির ফরেনার্স অ্যাক্ট অনুযায়ী মামলা করা হয়। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর ১১ আগস্ট দেশে ফেরেন সালাহউদ্দিন আহমদ।
