আবহাওয়া ও জলবায়ু

শীতের দাপটে স্থবির জনজীবন

পৌষের কনকনে শীতে সারা দেশের জনজীবন অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে চারপাশ। উত্তরাঞ্চল থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম, মধ্যাঞ্চল থেকে রাজধানীসহ সবখানেই শীতের দাপট। উত্তর থেকে বয়ে আসা হিম শীতল বাতাস আর চারিদিকে কুয়াশার কারণে মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েকগুণ। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে শিশু-বৃদ্ধসহ নিম্ন আয়ের মানুষজন।

গবাদিপশুর উপরও পড়েছে তীব্র শীতের প্রভাব। শীত বাড়ার সাথে সাথে হাসপাতালে এজমা, ডায়রিয়া, আমাশয়, সর্দিজনিত ও শ্বাসকষ্ট জনিত রোগীদের ভিড় বাড়ছে। এদিকে সূর্যের আলো না থাকায় কৃষকরা ক্ষেত খামারে কাজ করতে পারছেন না। ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন। আমাদের সংবাদদাতাদের পাঠানো তথ্যে প্রতিবেদন

স্টাফ রিপোর্টার, শেরপুর থেকে জানান, শেরপুর সীমান্তবর্তী জেলায় ঘন কুয়াশা আর প্রচশীতের তীব্রতা ব্যাপকভাবে বেড়েই চলেছে। জেলার সীমান্তবর্তী তিন উপজেলায় শীতের তীব্রতা আরো অনেক বেশি বলে জানান এলাকাবাসী। ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন রয়েছে জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোসহ পুরো চরাঞ্চল। কুয়াশা যেন শিশির হয়ে ঝরছে অঝোরে। তার সাথে যুক্ত হয়েছে উত্তরের হিমেল হাওয়া। ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এ প্রয়োজন ছাড়া লোকজন ঘর থেকে বের হচ্ছে না। শীতের তীব্রতায় কষ্টে আছেন বৃদ্ধ ও শিশুরা। প্রচ- ঠা-ায় বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং বোরো ধান রোপণ ও রবি ফসলের পরিচর্যায় ব্যাঘাত ঘটছে বলে কৃষকদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে। ফলে কৃষকরা পড়েছেন দুশ্চিন্তায়। আর কর্মজীবী মানুষও পড়েছেন চরম বিপাকে। জীবিকার তাগিদে কেউ কেউ ঘর থেকে বের হলেও তাদেরকে পোহাতে হচ্ছে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ।

শীতের প্রকোপে হাসপাতালগুলোয় ঠা-াজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। প্রচ- ঠা-ায় সর্দি-কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ও বাড়ছে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, শেরপুর জেলায় নেই আবহাওয়া অফিস। ফলে তাপমাত্রা রেকর্ড করা যায় না! স্টাফ রির্পোটার, মাদারীপুর থেকে জানান, মাদারীপুরের সর্বত্রই বেড়েছে শীতের তীব্রতা। সেই সাথে পদ্মা-আড়িয়াল খাঁ নদ-নদী বেষ্টিত মাদারীপুর ঢাকা মহাসড়ক পড়েছে ঘন কুয়াশায়। গতকাল ভোর থেকেই কুয়াশার চাদরে ঢাকা সড়ক-মহাসড়ক, ফসলের মাঠ। কুয়াশার প্রকোপে সামান্য দূরত্ব নির্ণয় করা কষ্টসাধ্য হওয়ায় যানবাহনগুলো চলছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। কুয়াশার পাশাপাশি ঠা-া বিরাজ করায় ভোরে লোকজনের উপস্থিতিও অনেকটাই কম রয়েছে বাইরে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল ভোর রাত থেকেই কুয়াশা পড়তে শুরু করে। ভোরে কুয়াশার মাত্রা আরো বেড়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশায় জেঁকে বসছে চারপাশ। এদিকে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ভোর থেকেই যানবাহন চলাচল সীমিত রয়েছে বলে জানা গেছে। কুয়াশায় মহাসড়ক ও পদ্মাসেতু এলাকাও ঢাকা পড়েছে। এছাড়া লোকাল পরিবহনে যাত্রী সংখ্যা কম রয়েছে বলেও জানা গেছে।

এক্সপ্রেসওয়ের শিবচরের পাচ্চর বাসস্ট্যান্ডে ঢাকাগামী যাত্রী মো. হাবিব বলেন, প্রচুর কুয়াশা পড়েছে ভোর থেকে। সড়কে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। মহাসড়কে কুয়াশার মধ্যে চলাচল বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। স্ট্যান্ডে ভোরে ঢাকাগামী যাত্রী তেমন দেখা যাচ্ছে না। বাসও দেরি করে আসছে। কাভার্ডভ্যান চালক মো. হাসান বলেন, ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছি। কুয়াশার মাত্রা বাড়ছে। পাঁচ্চর স্ট্যান্ডে অপেক্ষা করছি। কুয়াশায় মহাসড়কে কিছুই দেখা যাচ্ছে না।

শিবচর হাইওয়ে থানার ওসি জহুরুল ইসলাম জানান, গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণে আমাদের পুলিশ মহাসড়কে কাজ করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে মামলাও দেওয়া হচ্ছে। শীত মৌসুমে কুয়াশার মধ্যে সতর্কতার সঙ্গে যানবাহন চালাতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এদিকে মাদারীপুর আবহাওয়া অধিদফতরের জেলা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন মাদারীপুরের গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২/১ দিনের মধ্যে তাপমাত্রা আরো কমতে পারে।

কুড়িগ্রাম জেলা সংবাদদাতা জানান, উত্তরের সীমান্ত জেলা কুড়িগ্রামে দিনে ও রাতের তাপমাত্রার বড় পার্থক্য এবং উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে পুরো জেলার জনজীবনে। ২৩ লাখ ২৯ হাজার মানুষের এই জেলায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন ৪৬৯টি চরের সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষ। ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার, গঙ্গাধারসহ ১৬টি নদনদীর তীরবর্তী চরাঞ্চলে শীত এখন আর মৌসুমি দুর্ভোগ নয় এটি রূপ নিয়েছে এক গভীর মানবিক সঙ্কটে।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, আবহাওয়া বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জেলায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলেও ভোরে তা নেমে যাচ্ছে ১১ ডিগ্রিতে। ফলে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য দাঁড়াচ্ছে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তিনি বলেন, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য ১০ ডিগ্রি বা তার বেশি হলে ঠা-া বেশি অনুভূত হয়। এর সঙ্গে হিমেল বাতাস ও অতিরিক্ত আর্দ্রতা যুক্ত হলে শীতের তীব্রতা আরো বেড়ে যায়।

তার মতে, নদীবেষ্টিত জেলা হওয়ায় কুড়িগ্রামে বাতাসে আর্দ্রতা অনেক বেশি থাকে, যা অনেক সময় ৯০ থেকে ৯৯ শতাংশে পৌঁছায়। আজ সকালে বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। খোলা চরাঞ্চলে গাছপালা ও টেকসই ঘরবাড়ির অভাব থাকায় হিমেল বাতাস সরাসরি মানুষের শরীরে আঘাত হানে। ফলে তুলনামূলক কম তাপমাত্রাতেও শীত কনকনে অনুভূত হয়।

চিলমারী উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিচ্ছিন্ন চিলমারী ইউনিয়নের কড়াই বরিশাল চরের বাসিন্দা আব্দুল মান্নান বলেন, ‘দিনে কাজ না করলে রাতে খাবার জোটে না। কম্বল তো দূরের কথা, ছেঁড়া কাপড় গায়ে দিয়েই শীতে রাত কাটে।

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিক অধ্যাপক লিয়াকত আলির অভিযোগ, চর ও নদী তীরবর্তী শীতার্ত ও হতদরিদ্র মানুষের কোনো পূর্ণাঙ্গ জরিপ নেই। ফলে প্রকৃত অনেক দরিদ্র পরিবার সরকারি সহায়তার বাইরে থেকে যাচ্ছে। শীতের কারণে কাজের সুযোগ কমে যাওয়ায় দিনমজুর, জেলে ও নৌকানির্ভর মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র খাদ্য সঙ্কট।

শীতের প্রকোপে চরাঞ্চলে সর্দি-কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া ও চর্মরোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। কুড়িগ্রাম শহরের ভোকেশনাল মোড়ে সশস্ত্র বাহিনী দ্বারা পরিচালিত ক্লিনিকের চিকিৎসক ডা. রকিবুল হাসান বাঁধন জানান, শীতজনিত রোগে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। অপুষ্টি ও ঠা-া একসঙ্গে থাকলে ঝুঁকি আরো বেড়ে যায়।

রাজারহাটের সরকারি মীর ইসমাইল হোসেন কলেজের গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক নাজমুন নাহার বিউটি বলেন, শীতের সঙ্গে খাদ্য সঙ্কট ও দারিদ্র্য যুক্ত হলে পরিস্থিতি দ্রুত মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নেয়। তিনি বলেন, শুধু কম্বল দিলেই হবে না পুষ্টিকর খাদ্য, প্রাথমিক চিকিৎসা ও সচেতনতামূলক উদ্যোগ জরুরি। কুড়িগ্রামের শীত এখন আর শুধু আবহাওয়ার খবর নয় এটি হয়ে উঠেছে একটি বড় মানবিক চ্যালেঞ্জ, যার দ্রুত ও সমন্বিত সমাধান জরুরি।

গোপালগঞ্জ জেলা সংবাদদাতা জানান, ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন রয়েছে গোপালগঞ্জ পুরো জেলা। ভারি কুয়াশায় ক্ষীন হয়ে এসেছে দৃষ্টিসীমা। কুয়াশা শিশির হয়ে ঝরছে অঝোরে। এর সাথে হিমেল হাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না কেউই। শীতে বেশি কষ্ট পাচ্ছে বৃদ্ধ ও শিশুরা। এছাড়া প্রচ- ঠা-ার কারণে বোরো ধান রোপন ও রবি ফসলের পরিচর্যায় ব্যাঘাত ঘটছে কৃষকদের। কর্মজীবী মানুষ পড়েছে আরো বিপাকে। বাধ্য হয়ে ঘর থেকে বের হয়েছেন অনেকেই। হাসপাতালে বেড়েছে ঠা-া জনিত রোগীর সংখ্যা।

এদিকে সড়ক মহাসড়কগুলোতে দিনের বেলাও হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। চালকরা বলছেন, ঘন কুয়াশার কারণে প্রচ- ঝুঁকি নিয়ে ধীর গতিতে যানবাহন চলাতে হচ্ছে। গতকাল জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১১.২ ডিগ্রী সেলসিয়াস। সকাল ৬টায় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৭%। দৃষ্টিসীমা ১০০ মিটার।
জেলা আবহাওয়া অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান জানিয়েছে, কুয়াশা দিনের মধ্যভাগ পর্যন্ত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল হাওয়ার কারণে শীতের অনুভুতি তীব্র হতে পারে।
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গত দুই দিনের তুলনায় তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঝড়ছে কুয়াশা। সেই সঙ্গে বইছে হিম বাতাস। ঘন কুয়াশা এবং হিম বাতাস বাড়িয়ে দিয়েছে শীতের তীব্রতা। খুব ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত দেখা মিলছেনা সূর্যের। দিনের বেলায়ও হেড লাইট জালিয়ে চলছে যানবাহন।

গতকাল সকাল নয়টায় জেলার কলাপাড়ায় সর্বনিম্ন ১১.৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে খেপুপাড়া আবহাওয়া অফিস। এসময় কুয়াশার দৃষ্টিসীমা ছিলো ৫০ মিটারের নিচে। আর বাতাসের আদ্রতা ছিলো ৯০ শতাংশ। ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে জনজীবনে চরম ভোগান্তি নেমে এসেছে। সবেচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে বিভিন্ন যানবাহনের চালক, শ্রমিক ও কৃষকসহ সাধারণ মানুষ। অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালাচ্ছেন। হাসাপাতালগুলোতে বেড়েছে শীত জনিত রোগীর সংখ্যা।

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, জামালপুরের বকশীগঞ্জে পৌষ মাসের শীতের দাপট বাড়তে শুরু করেছে। কনকনে শীত আর ঘন কুয়াশায় চরম দুর্ভোগে রয়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। এ বছর অগ্রাহায়ণের শুরু থেকেই জামালপুর উত্তরাঞ্চলের এই জনপদে শীতের তীব্রতা দেখা দেয়। গত ১৫ দিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না বকশীগঞ্জ উত্তরাঞ্চল এলাকায়

কনকনে শীত আর ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন রয়েছে পুরো উপজেলা জুড়ে। সন্ধ্যা থেকে পরদিন দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকছে। শীত বাড়ার সাথে সাথে বেড়েছে এক শ্রেণির মানুষের দুর্ভোগ। সবচেয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে খেটে খাওয়া দিনমজুর আর পরিবহন শ্রমিকদের।
পৌরসভার বাসিন্দা রিকশা চালক ইনছের আলী জানান, গত ১৫/১৬ দিন যাবত শীত আর ঘন কুয়াশায় থাকার কারণে যাত্রী কম হয়। আগে সারা দিনে ৫/৬শ’ টাকা ইনকাম করতাম আর এখন সারা দিনে ২ আড়াই শত টাকা বেশি ভাড়া মারতে পারি না। খুব কষ্টে আছি।

কুয়াশা ও শীতের কারণে বৃদ্ধ ও শিশুদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে। হাসপাতালগুলোতে রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। তীব্র শীতের কারণে হাসপাতালে ডায়রিয়া, আমাশয় ও শ্বাসকষ্ট রোগীদের ভিড় বাড়ছে। সূর্যের আলো না থাকায় কৃষকরা ক্ষেত খামারে কাজ করতে পারছেন না। গাড়ীর হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে যানবাহনের চালকদের।

এদিকে শীত বাড়ার কারণে সকল শ্রেণির মানুষ তাদের সাধ্যের মধ্যে গরম কাপড় কিনতে মার্কেটগুলোতে ভিড় করছেন। তবে নিম্ন আয়ের মানুষের উপচেপড়া ভির লক্ষ করা যাচ্ছে ফুটপাতের দোকানগুলোতে।

বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজাউল ইসলাম বলেন, শীত বাড়ার সাথে সাথে হাসপাতালে এজমা, ডায়রিয়া, আমাশয়, সর্দিজনিত ও শ্বাসকষ্ট জনিত রোগীদের ভিড় বাড়ছে। তবে বয়স্ক ও শিশু রোগী বেশি। বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল হাই জানান, উপজেলার ছিন্নমূল ও হতদরিদ্র এক হাজার ২শত পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন

Back to top button