ডিমলায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ডিমলা উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-১ মাননীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওঃ আব্দুস সাত্তার। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা শুরু হয়।

উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইমরানুজ্জামান সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি)মোঃ রওশন কবির,কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মীর হাসান আল বান্না,উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সোহেল রানা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শওকত আলী সরকার, জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতা অধ্যাপক রইসুল আলম চৌধুরী, অধ্যক্ষ মানোয়ার হোসেন,গোলাম রব্বানী প্রধান ও জাহাঙ্গীর আলম ডিয়ার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রভাষক আবুল কাশেম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ডিমলা উপজেলার আমীর অধ্যাপক মাওঃ মুজিবুর রহমান,নায়েবে আমীর রোকুরুজ্জামান বকুল, সেক্রেটারি অধ্যাপক কাজী হাবিবুর রহমান, ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন সেক্রেটারি আলামিন, এনসিপি নেতা শহিদুজ্জামান বাবু, রাশেদুজ্জামান রাশেদ, শাকিল প্রধান, রাব্বি, মুজিবুলসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা শিক্ষক-শিক্ষার্থী সহ বিভিন্ন শ্রেণীর সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন স্বাধীনতা মহান শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রগতিছে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। অনেকেই বলেন

সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দিবসটি হয়ে ওঠে উৎসবমুখর ও তাৎপর্যপূর্ণ। বক্তারা বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসামান্য আত্মত্যাগ আমাদের বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণা জোগায়। স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি, শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা।

তারা আরও বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজের সব ক্ষেত্রে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে স্বাধীনতার অপূর্ণ স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। নতুন প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার দায়িত্ব সবার।
দিনব্যাপী কর্মসূচির শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবার বর্গের সংবর্ধনা মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়।

Exit mobile version