অভিনয় ছাড়ছেন পপি? বাকি জীবন কাটাতে চান খোদার নামে

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় ও নন্দিত অভিনেত্রী সাদিকা পারভীন পপি দীর্ঘ দিন ধরে রূপালী জগৎ থেকে দূরে আছেন। সম্প্রতি এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের বর্তমান জীবন ভাবনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। সাক্ষাৎকারে চলচ্চিত্রে আর না ফেরার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়ে এই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী জানান, জীবনের বাকি সময়টা তিনি শান্তি ও ধর্মীয় অনুশীলনের মধ্য দিয়ে কাটাতে চান।
নিজের জীবনের নতুন অধ্যায় প্রসঙ্গে পপি বলেন, “সুন্দরভাবে বাঁচতে চাই। আল্লাহ-খোদার নাম নিতে চাই। যতটা পাপ কামিয়েছি, তার সবটা ধুয়েমুছে সুন্দরভাবে মরতে চাই।” পপির এই বক্তব্যে অভিনয়ের অনিশ্চয়তার পাশাপাশি চলচ্চিত্রের ঝলমলে জীবন থেকে নিজেকে পুরোপুরি গুটিয়ে নেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ পেয়েছে।
১৯৯৫ সালে ‘লাক্স আনন্দচিত্রা ফটো সুন্দরী’ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিনোদন জগতে পা রাখেন খুলনার মেয়ে পপি। মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘কুলি’ (১৬ মে, ১৯৯৭) সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় তার অভিষেক হয়। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি উপহার দিয়েছেন বহু ব্যবসা সফল ও সমালোচক-প্রশংসিত চলচ্চিত্র।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সিনেমা হলো ‘কারাগার’ (প্রথমবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী), ‘মেঘের কোলে রোদ’ এবং ‘গঙ্গাযাত্রা’।
অন্যান্য জনপ্রিয় সিনেমা–‘আমার ঘর আমার বেহেস্ত’, ‘দরদী সন্তান’, ‘চারিদিকে শত্রু’, ‘বিদ্রোহ চারিদিকে’, ‘লাল বাদশা’, ‘ক্ষ্যাপা বাসু’, ‘বিদ্রোহী পদ্মা’, ‘রানী কুঠির বাকী ইতিহাস’, ‘কী যাদু করিলা’, ‘বস্তির রানী সুরিয়া’ ইত্যাদি।
ব্যক্তিগত জীবনে চিত্রনায়িকা পপি কয়েক বছর আগে ব্যবসায়ী আদনানকে বিয়ে করেন। বর্তমানে তিনি তাদের একমাত্র পুত্র সন্তান আয়াত এবং স্বামীসহ পরিবার নিয়ে সুখী গৃহকোণে সময় কাটাচ্ছেন।





