থানা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়ে বহিষ্কার হলেন যুবদল নেতা শাহীন

সাইফুল ইসলাম : মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবু সাদাত মো. শাহীনকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলের নীতি-আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, দলের নীতি, আদর্শ ও সংহতিবিরোধী নানা অনাচারের কারণে আবু সাদাত মো. শাহীনকে প্রাথমিক সদস্যসহ যুবদলের সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপির সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে কার্যকর হয়েছে।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নির্দেশক্রমে যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্বে) মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে সোমবার চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে স্থানীয় বাসিন্দারা শাহীনের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল ও মানববন্ধন করেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে শাহীন দাবি করেন, পদ্মা নদীর নৌ চ্যানেল চার্জ আদায়ের জন্য তিনি বৈধ প্রক্রিয়ায় সরকারি ইজারা নিয়েছেন। সেখানে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি করা হয় না।
এদিকে একটি মামলার প্রতিবাদে সোমবার হরিরামপুর থানায় ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দেন শাহীন। এ সময় তিনি প্রশাসনের ভেতরে আওয়ামী লীগের ‘দালালরা ঘাপটি মেরে আছে’ বলে অভিযোগ করেন। পরে থানা ঘেরাও করা না হলেও থানার সামনে সমাবেশ করে প্রশাসনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, “মোল্লা শাহীন কোনো ধরনের অন্যায়ের শিকার হয়ে থাকলে শান্তিপূর্ণভাবে তার প্রতিবাদ করতে পারতেন, মানববন্ধন করতে পারতেন। এভাবে থানা ঘেরাও করার কোনো সুযোগ নেই। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। কোনো ব্যক্তির দায় যেমন দল নেবে না, তেমনি তার ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের দায়ও আমরা নেব না।”
থানা ঘেরাও কর্মসূচি প্রসঙ্গে শাহীন বলেন, মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছিল। তবে থানা ঘেরাও করা হয়নি, অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।





