গ্রামবাসীদের একাংশ।এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সমাসপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের

বাল্যবিয়ের অনুষ্ঠানে সমাসপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মুনিরুল জামান মুনিরসহ বেশ কয়েজন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের উপস্থিতি ও বাল্যবিয়েতে অংশগ্রহণের বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়া মুনিরুল জামান মুনিরের ইন্ধনেই বরপক্ষ ইউএনও’র গাড়িতে হামলা ও বরকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন গ্রামবাসীদের একাংশ।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সমাসপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মুনিরুল জামান মুনির বলেন, বিয়েটা আরও দুই বছর আগে হয়েছে। আনুষ্ঠানিকতা বাকী ছিলো। বর পক্ষের সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক থেকে সেখানে গিয়েছি। পরে ইউএনও এসে বিয়ের অনুষ্ঠানটা বন্ধ করে দিলে ঝামেলা সৃষ্টি হয়। আমি উপজেলা প্রশাসনকে সহযোগিতা করেছি। হামলায় ইন্ধনের অভিযোগটি সঠিক নয়।
আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাল্যবিয়েটি বন্ধ করি। বরকে আটক করে নিয়ে আসার সময় বরপক্ষের লোকেরা আমাদের গাড়ি আটকে দেয় এবং সরকারি কাজে বাধা দেয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে তারা পুলিশ ও প্রশাসনের লোকজনের ওপর হামলার চেষ্টা করে এবং আটক ব্যক্তিকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা চালায়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি আরও বলেন, বাল্যবিয়ে আয়োজন ও সরকারি কাজে বাধা দেয়ার ঘটনায় মুন্নাফ, রাব্বী, ইউনূস, সজলসহ আরও ২০ থেকে ২৫ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। বাল্যবিয়ে বন্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।





