৫ আগস্টের আগে কিছু সাংবাদিক গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ছিলেন নিয়ে শ্যামল ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেছেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে। দেশের গণতন্ত্র রক্ষা ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে জিয়া পরিবারের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আয়োজনে ‘জিয়া থেকে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান—গণতন্ত্র, ভোটের অধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শ্যামল বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে আমরা বিদায় করেছি। এই দেশের গণতন্ত্র রক্ষার্থে, ভোটের অধিকারের সঙ্গে জিয়া পরিবারের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যাসিস্টের আমলে কিছু কিছু সাংবাদিক সুবিধা ভোগ করেছেন। তারা ৫ আগস্টের আগে ব্যানার নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ছিলেন।’
আলোচনা সভায় দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিয়ে বক্তারা আলোচনা করেন। একই সঙ্গে বিএনপির রাজনীতির বিভিন্ন পর্যায়ে কারা নির্যাতনের শিকার জেলার শীর্ষ নেতাদের ও সাংবাদিকদের সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন নিউজ টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের হেড অব নিউজ মো. শরিফুল ইসলাম খান। উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ্ব হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক পিপি মো. সফিকুল ইসলাম, সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান মঞ্জু এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলি আজম।
কারা নির্যাতিত বিএনপির নেতাদের মধ্যে সম্মাননা পান ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, সিরাজুল ইসলাম, আলহাজ্ব হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি ও মো. সফিকুল ইসলাম পিপি।
সাংবাদিকদের মধ্যে সম্মাননা পান আবু আব্দুল্লাহ, মোকলেসুর রহমান, আশিকুর রহমান চৌধুরী পনি, আজিজুর রহমান পায়েল ও জয় আহমেদ।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিক, সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য, বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।







