জাতীয়

সংসদে বিদ্যুৎ সংকট আলোচনা: প্রতিমন্ত্রীকে স্পিকারের ‘বিগত সরকার বাদ দেন’ বার্তা

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ও জ্বালানি সংকট নিয়ে বক্তব্যের সময় ‘বিগত সরকারগুলোর ভুল নীতি’র প্রসঙ্গ তুললে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে ‘বিগত সরকার বাদ দিতে’ বলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার সময় এ ঘটনা ঘটে।

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হলেও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়নি। একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করা হলেও সেগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত না হওয়ায় রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় হয়েছে।

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ও জ্বালানি সংকট নিয়ে বক্তব্যের সময় ‘বিগত সরকারগুলোর ভুল নীতি’র প্রসঙ্গ তুললে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে ‘বিগত সরকার বাদ দিতে’ বলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার সময় এ ঘটনা ঘটে।

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হলেও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়নি। একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করা হলেও সেগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত না হওয়ায় রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় হয়েছে।

জবাবে স্পিকার বলেন, ‘মাননীয় মন্ত্রী, বিগত সরকার বাদ দেন। এখন আপনার পরিকল্পনা তো বলেছেন।’

এরপর প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এক মিনিটে শেষ করব।’

জ্বালানির উৎসে বৈচিত্র্য না থাকায় মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের পর জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জ্বালানির উৎসে বৈচিত্র্য আনা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে মনোযোগ দিয়েছে।

এর আগে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির মধ্যমেয়াদি সমাধান হিসেবে রুফটপ সোলার স্থাপনের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, সরকারি-বেসরকারি ভবনের ছাদে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সরকারের কাছে প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রির সুযোগ এবং সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জাম আমদানিতে বিশেষ শুল্ক সুবিধা দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনের সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও বিগত দেড় যুগে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে বড় পার্থক্য না থাকলেও গ্রামাঞ্চলে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি সরকারের বিগত সরকারগুলোর ভুল নীতির কথা বলেছিলাম।’

জবাবে স্পিকার বলেন, ‘মাননীয় মন্ত্রী, বিগত সরকার বাদ দেন। এখন আপনার পরিকল্পনা তো বলেছেন।’

এরপর প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এক মিনিটে শেষ করব।’

জ্বালানির উৎসে বৈচিত্র্য না থাকায় মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের পর জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জ্বালানির উৎসে বৈচিত্র্য আনা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে মনোযোগ দিয়েছে।

এর আগে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির মধ্যমেয়াদি সমাধান হিসেবে রুফটপ সোলার স্থাপনের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, সরকারি-বেসরকারি ভবনের ছাদে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সরকারের কাছে প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রির সুযোগ এবং সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জাম আমদানিতে বিশেষ শুল্ক সুবিধা দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন

Back to top button