ঈদগাঁও-চৌফলদণ্ডী সড়কপথে খোলা লবণ পরিবহন ! বাড়ছে দুর্ঘটনা ও জনদুর্ভোগ

নাছির নোমান: কক্সবাজার সদরের চৌফলদণ্ডী সড়ক পথে পরিবহন বিধিনিষেধ তাওয়াক্কা না করে প্রতিনিয়ত অর্ধশত ট্রাক ও ড্যাম্পারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে অপরিশোধিত খোলা লবণ পরিবহন করা হচ্ছে। ঐসব অপরিশোধিত খোলা লবণ পরিবহনকারী ট্রাক ও ড্যাম্পার থেকেই নিঃসৃত নোনাপানির প্রভাবে সড়কের পুরো ৮/১০ কিলোমিটার রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে পড়ছে । যার ফলে প্রতিনিয়ত এ সড়কদিয়ে যাতায়াতকারী প্রায় অর্ধলক্ষ যানবাহন ও পথচারীরাদের মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে হচ্ছে।
প্রাপ্ততথ্যে জানাগেছে, সদরের উপকূলীয় এলাকা চৌফলদন্ডীতে লবণ চাষের উপযোগী লবণ মাঠ রয়েছে ৪০৯৩ একর। প্রতিবছর এসব মাঠে উৎপাদন হচ্ছে প্রায় এক থকে দেড় লক্ষ মেট্রিক টন লবণ। ঐসব লবণ বিক্রি বা পরিশোধিত করার জন্য ইসলামপুর শিল্প এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন সল্ট ইন্ডাস্ট্রিতে নেয়া হয়। এসব অপরিশোধিত খোলা লবণ সাগর পথে পরিবহন করার সুযোগ থাকলেও পরিবহন খরচ বাঁচাতে জেলার ব্যস্ততম ও গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ঈদগাঁও-চৌফলদন্ডী সড়কপথে পরিবহন করা হচ্ছে। যার ফলে লবণ বোঝাই ট্রাক,ড্যাম্পার থেকে নোনা পানি পড়ে পিচঢালা সড়ক -এ সৃষ্ট পিচ্ছিলতা রাস্তার স্থায়িত্ব বা ঠেকসই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি ঝুঁকির মুখে পড়েছে পথচারী ও যানবাহন।
সরেজমিনে দেখাযায়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকি না থাকায় সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে প্রকাশ্যে দিবালোকে সড়কের উপর লবণ বোঝাই কার্যক্রম চলছে। এতে করে প্রতিনিয়ত সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী লাখো সর্বসাধারণের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন কক্সবাজার ( বিসিক) এর ডিজিএম জাফর ইকবালের সাথে কথা হলে তিনি জানান,খোলা লবণ পরিবহনের ক্ষেত্রে বিসিক এর সুনির্দিষ্ট কোন নীতিমালা নেই, এটি হচ্ছে সড়ক ও জনপদ বিভাগের দায়িত্ব। একই বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুজ্জামান সাদেক এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমরা যতটুক পারি মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করছি,তবে লবণ ব্যবসায়ীরা কিছুতেই মানছে না। এখন বলুনতো করার কি আছে।
নাম প্রকাশেঅনিচ্ছুক একজন সচেতন ব্যক্তি বাংলাদেশ মেইল ২৪ এর প্রতিবেদক নাছির নোমানকে জানান খোলা লবণ পরিবহনের ক্ষেত্রে জিইওটেক্সটাইন ব্যবহারের সরকারি নির্দেশনা রয়েছে।সংশ্লিষ্ট অসাধু কর্মকর্তারা মাসিক মাসোহারা নিয়ে এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না।বর্ণিত বিষয়ে জানতে, জেলা প্রশাসক মহোদয়ের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ফোন রিসিভ না করাই তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।







