মোল্লা শাহীনের থানা ঘেরাও: যুবদলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন, তুহিনের কড়া বার্তা

সাইফুল ইসলাম : যুবদলের ব্যানারে থেকে কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ নেই। কেউ যত বড় ক্ষমতাশালীই হোক, দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়—এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব তুহিনুর রহমান তুহিন।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে হরিরামপুরে যুবদল নেতা মোল্লা শাহীনের থানা ঘেরাও কর্মসূচি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি এ কথা বলেন।
তুহিনুর রহমান তুহিন বলেন, “মোল্লা শাহীন কোনো ধরনের অন্যায়ের শিকার হয়ে থাকলে শান্তিপূর্ণভাবে তার প্রতিবাদ করতে পারতেন, মানববন্ধন করতে পারতেন। এভাবে থানা ঘেরাও করার কোনো সুযোগ নেই। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। কোনো ব্যক্তির দায় যেমন দল নেবে না, তেমনি তার ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের দায়ও আমরা নেব না। বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এটি একটি প্রক্রিয়া, আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।”
এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে একটি মামলার প্রতিবাদে হরিরামপুর থানায় ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দেন হরিরামপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোল্লা শাহীন। এ সময় তিনি প্রশাসনের ভেতরে আওয়ামী লীগের “দালালরা ঘাপটি মেরে আছে” বলে অভিযোগ করেন। পরে থানা ঘেরাও করা না হলেও থানার সামনে সমাবেশ করে প্রশাসনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সম্প্রতি মোল্লা শাহীনের বিরুদ্ধে পদ্মা নদীর নৌ চ্যানেল চার্জ আদায়ের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা এবং বাল্কহেডের চালক ও মালিকরা। এ অভিযোগের প্রতিবাদে সোমবার স্থানীয়রা তার বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিলও করেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মোল্লা শাহীন বলেন, নৌ চ্যানেল চার্জ আদায়ের জন্য বৈধ প্রক্রিয়ায় সরকারিভাবে ইজারা নেওয়া হয়েছে। সেখানে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি করা হয় না। তিনি বলেন, “চাঁদাবাজির প্রমাণ দিতে পারলে আমি নিজেই পদত্যাগ করব।”






