আবহাওয়া ও জলবায়ু

ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বন্যার শঙ্কা

ভারি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরে নদ-নদীতে পানি বেড়েছে। ইতোমধ্যে জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালি নদীতে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভোগাই, মহারশি, ঝিনাই এবং সোমেশ্বরী নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই করছে। বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি আসা অব্যাহত থাকলে বন্যা দেখা দেবে বলে আশঙ্কা নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা।

এদিকে বৃষ্টিপাতের কারণে বুধবার (১৩ মে) দুপুরে শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ড্রেনেজব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় জেলা শহরের মাধবপুর, চকবাজার, সজবরখিলা, গৃর্দানারায়ণপুরসহ বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে শহরের বাসিন্দারা. ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

শেরপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, আজ (বুধবার) বিকেল ৩টা পর্যন্ত পূর্ববতী ১২ ঘণ্টায় জেলা শহরে ১১ মিলিমিটার, নালিতাবাড়ী শহরে ৬৫ মিলিমিটার এবং সীমান্তবর্তী নাকুগাঁও পয়েন্টে সর্বোচ্চ ৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ওই সময় চেল্লাখালি নদী নালিতাবাড়ীর বাতকুচি পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে ২৩ দশমিক ৫৪ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছিল। অন্যান্য পাহাড়ি নদীগুলোও বিপৎসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হচ্ছিল।

শেরপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী বলেন, গত বছরের বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন নদীর বাঁধগুলো ইতোমধ্যে সংস্কার করা হয়েছে। উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল কিংবা বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। আমরা মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন

Back to top button