বাংলাদেশ

‘আমাকে রাস্তায় ফেলে রেখে কুকুরের মতো পেটানো হয়েছে’

বাংলাদেশ প্রতিদিনের ডিজিটালের সিনিয়র রিপোর্টার নেহাল আহমেদ প্রান্ত বলেছেন, আমার হাতে ও মাথায় লাঠি দিয়ে পেটানো হয়েছে, পেছনে আমাকে জুতা দিয়ে লাথি মারা হয়েছে এবং রাস্তায় ফেলে রেখে কুকুরের মতো পেটানো হয়েছে।

রাজধানীর মিরপুরের কালশী বাউনিয়া বাঁধ এলাকায় উচ্ছেদের সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের ওপর পুলিশের এ বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (২০ মে) বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত কর্তৃপক্ষের উচ্ছেদ অভিযানের খবর সংগ্রহের সময় ফেসবুক লাইভ চলাকালেই পুলিশের হামলার শিকার হন দুই সংবাদকর্মী।

নেহাল আহমেদ প্রান্ত ছাড়াও এ বর্বরোচিত হামলার শিকার হন বাংলাদেশ টাইমসের স্টাফ রিপোর্টার তাসবির ইকবাল। কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়া আকস্মিক উচ্ছেদ অভিযান চালানোর বিষয়ে প্রশ্ন করায় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা তাদের ওপর এই হামলা চালান।

​সহকর্মী প্রান্তকে মাঠে ফেলে পুলিশের মারধর ও হেনস্তা করতে দেখে ফেসবুক লাইভ সচল রেখেই তাকে বাঁচাতে তাৎক্ষণিকভাবে এগিয়ে যান বাংলাদেশ টাইমসের স্টাফ রিপোর্টার তাসবির ইকবাল।

কিন্তু উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা আরো উগ্র রূপ ধারণ করে তাসবিরের ওপরও একযোগে হামলা চালায়। লাইভ ক্যামেরা সচল থাকা অবস্থাতেই দুই সাংবাদিককে ব্যাপক মারধর করা হয় এবং পেশাগত কাজে বাধা দিয়ে তাদের ফোন ও ক্যামেরা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের ডিজিটালের সিনিয়র রিপোর্টার নেহাল আহমেদ প্রান্ত বলেন, মাথায় লাঠি দিয়ে বাড়ি মারা হয়েছে, পেছনে আমাকে জুতা দিয়ে লাথি মারা হয়েছে এবং রাস্তায় ফেলে রেখে কুকুরের মতো পেটানো হয়েছে।

তিনি বলেন, সাংবাদিকরা যখন দেখলাম যে বস্তিবাসীরা তাদেরকে (অভিযান পরিচালনাকারী) বারবার বলছে যে নোটিশ দেওয়া হয়নি, নোটিশ দেওয়া হয়নি, তখন আমরা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রশ্ন করতে গেলাম যে আসলে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল কি না? এতে তিনি সাংবাদিকদের ওপর ক্ষিপ্ত হন।

একপর্যায়ে তিনি পুলিশের সহায়তা নিয়ে সাংবাদিকদের পেটান এবং রাস্তায় ফেলে রেখে আমাকে মারধর করা হয়।
তিনি আরো বলেন, আসল ঘটনা কি, এটি আমরা জানি না। তবে যদি নোটিশ দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে এত বস্তিবাসী তারা নোটিশ পেল না কেন? এই প্রশ্ন করার কারণে সাংবাদিককে কেন পেটানো হলো?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এই বিভাগের আরও সংবাদ পড়ুন

Back to top button