রক্ষক যখন ভক্ষক! ঈদগাঁওয়ে গাছসহ জব্দকৃত ডাম্পার মোটা অংকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ

কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে বনবিভাগের গাছ লুটে ব্যবহৃত ডাম্পার গাছসহ জব্দের পর মোটা অংকের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের পালাকাটা রেল ক্রসিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বনজসম্পদ খেকোচক্র বনবিভাগের গাছ কেটে তা ডাম্পারযোগে উক্ত রাস্তা দিয়ে পাচার করছিল । এ সংবাদ পেয়ে কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের মেহেরঘোনা রেঞ্জ কর্মকর্তা ইসমাইলের নেতৃত্বে বনবিভাগের লোকজন অভিযান চালিয়ে উক্ত স্থান থেকে গাছ ভর্তি ডাম্পারটি আটক করে। কিছু গাছ জব্দ দেখালেও অধিকাংশ গাছসহ জব্দকৃত ডাম্পারটি মামলার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ উঠে অভিযান পরিচালনাকারী রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে জানতে অভিযোগ উঠা রেঞ্জ কর্মকর্তা ইসমাইলের মোবাইলে কল দিলে তিনি অভিযানের কথা স্বীকার করলেও বিস্তারিত তথ্য দিতে গড়িমসি করেন এবং মেহমান আসছে তাই তথ্য পরে দিবেন বলে কেটে দেন। পরে বারবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, উক্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা যোগদানের পর থেকে বনখেকোদের সাথে আঁতাত করে উল্টো নিরিহ লোকদের বনমামলায় হয়রানি করে আসছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঈদগাঁও উপজেলাধীন মেহেরঘোনা,ভোমরিয়াঘোনা ও ফুলছড়ি রেঞ্জের অধীন মেহেরঘোনা বনবিট,ভোমরিয়াঘোনা বনবিট, মাছুয়াখালী বনবিট, নাপিতখালী বনবিট, ফুলছড়ি বনবিট ও রাজঘাটর বন বিটের অধীন বনবিভাগের সংরক্ষিত বনজসম্পদ গাছ,পাহাড় কেটে মাটি লুট , বন এলাকার পাহাড়ি চরায় কৃত্রিম বাঁধ সৃষ্টি করে বদ্ধ পানিতে পাহাড় গলিয়ে বালু ও নদীতে ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে অবৈধ বালু উত্তোলনের মহোৎসব মাসের পর মাস চলতে থাকলেও সংশ্লিষ্ট বনবিভাগের ঘুম ভাঙ্গে না। এসব রক্ষক রুপি ভক্ষক বন কর্মকর্তারা সরকারি বনজ সম্পদ রক্ষার পরিবর্তে নিজের আখের গোচাতে ব্যস্ত থাকায় অবশিষ্ট সরকারি বনজ সম্পদ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ।
সচেতন উপজেলা বাসী অবিলম্বে এসব বন এলাকায় বড়সড় অভিযান পরিচালনার দাবি তুলেছেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নিকট।





